Ferrari বাজারে নিয়ে এসেছে পৃথিবীর সর্বাধিক গতির বৈদ্যুতিক সুপারকার Hybrid Plug-in SF90 Stradale

Ferrari কোনো বৈদ্যুতিক গাড়ি বানাতে পারে না, এ ধারণা এখন ভুল প্রমাণিত হয়েছে। ইটালির এ সুপারকার নির্মাতা প্রতিষ্ঠান প্রথম hybrid plug-in SF90 Stradale নিয়ে এসেছে। এর মাধ্যমে বর্তমানের গ্যাসচালিত এবং ভবিষ্যতের বিদ্যুৎচালিত ব্যবস্থার মধ্যে সমন্বয় সাধনের দিকে আরো একধাপ এগিয়ে গেলো প্রতিষ্ঠানটি।

Ferrari বাজারে নিয়ে এসেছে পৃথিবীর সর্বাধিক গতির বৈদ্যুতিক সুপারকার Hybrid Plug-in SF90 Stradale
Ferrari কোনো বৈদ্যুতিক গাড়ি বানাতে পারে না, এ ধারণা এখন ভুল প্রমাণিত হয়েছে। ইটালির এ সুপারকার নির্মাতা প্রতিষ্ঠান প্রথম hybrid plug-in SF90 Stradale নিয়ে এসেছে। এর মাধ্যমে বর্তমানের গ্যাসচালিত এবং ভবিষ্যতের বিদ্যুৎচালিত ব্যবস্থার মধ্যে সমন্বয় সাধনের দিকে আরো একধাপ এগিয়ে গেলো প্রতিষ্ঠানটি।
গাড়িটিতে থাকছে 4-litre, 769-horsepower turbo V8। তার সাথে থাকছে তিনটি বৈদ্যুতিক মোটর (217 HP effective horsepower)। উভয়ে মিলে গাড়িটি ঘন্টায় ৬২ মাইল গতি তুলতে পারবে মাত্র ২.৫ সেকেন্ডে, পরিবেশের কোনো রকম ক্ষতি না করেই। কেবল বিদ্যুৎ দিয়েই ১৫.৫ মাইল অতিক্রম করা সম্ভব হবে।Ferrari বাজারে নিয়ে এসেছে পৃথিবীর সর্বাধিক গতির সুপারকার Hybrid Plug-in SF90 Stradale, LaFerrari থেকে কাগজে কলমে গাড়িটির শক্তি খানিক কম।
LaFerrari-এর সর্বোচ্চ গতি ছিলো ঘন্টায় ২১৭ মাইল, সেখানে SF90-এর সর্বোচ্চ গতি ঘন্টায় ২১১ মাইল। নতুন powertrain, torque-vectoring all-wheel drive system, অধিক গতির eight-gear dual-clutch transmission এবং অপেক্ষাকৃত অল্প ভর SF90-কে অবশ্যই LaFerrari-এর সমপর্যায়ে নিয়ে যেতে সক্ষম। গাড়ির ভেতরেও ব্যবহৃত হয়েছে নতুন প্রযুক্তি। স্টিয়ারিং উইল আগের মতোই থাকবে। Control থাকবে manettino-এর মতো। তবে অনেকগুলো capactive touch interface থাকবে, যার মাধ্যমে hybrid mode এবং অন্যান্য ফিচার নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে।
দাম বা প্রাপ্তিস্থান নিয়ে এখন কিছু জানায়নি Ferrari। বোঝা যাচ্ছে নির্মিত গাড়িটি কোনো special edtionনা, যা বিক্রির ক’দিন পরই বাজার থেকে উঠে যায়। ধারণা করা হচ্ছে চড়া মূল্য বিধায় হাতে গোনা কয়েকজনই কিনতে পারবে গাড়িটি। Ferrari সম্পূর্ণ বিদ্যুৎচালিত গাড়ি নির্মাণ করবে, এমন কোনো ইঙ্গিত পাওয়া যায়নি। প্রতিষ্ঠানের নাম এবং পরিবেশগত বিধিনিষেধের জন্যই এমনটি করা।
তবে বোঝা যাচ্ছে উচ্চমানের গ্যাসচালিত ইঞ্জিনেরও মাঝেমাঝে রূপ পরিবর্তন করতে হয়। অনেক দেশ যখন জ্বালানী পুড়িয়ে গাড়ি চালানোর ব্যবস্থা ধীরে ধীরে তুলে ফেলছে, Ferrari কবে জ্বালানী থেকে বিদ্যুতের দিকে যাত্রা করে, সেটাই প্রশ্ন। পোস্টটি ভালো লাগলে Like দিন, ফোনটি সম্পর্কে কোন কিছু জানার থাকলে অবশই কমেন্ট করবেন এবং প্রতিদিন প্রযুক্তির সব letest নিউজের Update পেতে (প্রযুক্তির আলো.কম) এর সাথে থাকুন ।

What's Your Reaction?

like
0
dislike
0
love
0
funny
0
angry
0
sad
0
wow
0