Asus বাজারে নিয়ে এলো ROG Strix XG49VQ মনিটর

56

বড় মনিটরের প্রতি আকর্ষণ থাকলে Asus-এর নতুন প্রযুক্তি ROG Strix XG49VQ নিয়ে চিন্তাভাবনা করতে পারেন। 49 inches premium curved LCD panelনিয়ে মনিটরটির aspect ratio 32:9। দারুণ দেখতে স্ক্রিন!

তবে, আসলে কতোটা কাজের এ মনিটর? কাগজে কলমে তো অসাধারণ (বিশেষ করে এটির gaming-centric remit নিয়ে), বলাই বাহুল্য। অল্পকথায় মনিটরটির পরিচয়: এতে আছে FreeSync 2 HDR support, DisplayHDR 400 certification এবং 144Hz refresh rate।

Asus বাজারে নিয়ে এলো ROG Strix XG49VQ মনিটর

আরেকদিকে এত বিশালpanel size-এর উপর এহেন resolution মন্দ নয়। 3,840 X 1,080 pixels থাকা সত্ত্বেও এটি আরেক 49-inch লম্বা মনিটর Philips Brilliance 499P9H-এর সাথে পাল্লায় হেরে যাবে resolution-এর দিক থেকে। তবে Asus-এর মনিটর বিশেষ করে গেইমারদের জন্য তৈরি, যাদের কাছে resolution থেকে refresh rate বড়। সে যাত্রায় Asus সফল বটে!

দাম এবং প্রাপ্তিস্থান

Asus ROG Strix XG49VQপাওয়া যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রে। দাম পড়বে ৮৯৯ মার্কিন ডলার। গেমিং মনিটর হিসেবে দামটা মোটামুটি অন্যদের মতোই। যুক্তরাজ্যে মিলবে ৯৯৯ পাউন্ডে এবং অস্ট্রেলিয়াতে ২০২৫ অস্ট্রেলিয়ান ডলার।

তবে যদি productivity ভালো চান, Philips Brilliance 499P9H দাম এবং remitউভয় দিক থেকে অধিকতর ভালো।

ডিজাইন এবং ফিচার

ROG Strix XG49VQ Asus-এর standard design রেখেছে। স্টাইলিশ এবং মানসম্পন্ন পণ্য, মানতেই হবে। কেবল একটি জিনিস নেই; Asus-এর Aura ambient lighting।

তা সত্ত্বেও ব্যাপারটি খারাপ ঠেকছে না। কেননা মনিটরে bezel সরু। মনিটর দাঁড়াবে বেশ পোক্তভাবে, কেননা height, swivel এবং tilt adjustment-এর দারুণ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। Potrait mode-এর কোনো ব্যবস্থা নেই, তবে এতে আশ্চর্য হওয়ার কিছু নেই। মনিটরের 3,840 by 1,080 resolution, FreeSync 2 HDR support, DisplayHDR 400 certification এবং 144Hz refresh rate-এর সাথে brightness-এর রেটিং 450cd/m2, 3,000:1 static contrast ratio এবং আছে 1800R curvature।

Gray-to-gray response rating 4msকরা হয়েছে। এটি এবং শক্তিশালী static contrast উভয় মিলেই panel tech-কে দারুণ করেছে। Vertical Allignment (VA) কালার এবং অন্যান্য ভিজুয়ালের ক্ষেত্রে ভালো কাজ করে, তবে response time এবং viewing angle extent বেশ কম।

অন্যান্য দিক থেকে মনিটরটি বেশ শক্তিশালী। যেমন এটিতে আছে এক জোড়া HDMI 2.0 ports এবং একটিDisplayPort 1.2 socket। গতানুগতিক 4K মনিটরের অর্ধেক pixel নিয়ে resolution কাজ করে মনিটরটি, সুতরাং 144Hz refresh rate তেমন একটা ব্যাপার না। USB-C port-এর অনুপস্থিতি অবশ্য মানবার মতো। গেমিংকেন্দ্রিক মডেল হিসেবে মনিটরটির শক্তিশালী desktop rigথাকার কথা।

মনিটরে আছে picture-by-picture mode। এতে স্ক্রিন তিনটি horizontal panels-এ বিভক্ত করা যাবে। প্রত্যেকটিকে আলাদা আলাদা উৎস থেকে চালানো যাবে। একটি panel-এ গেম খেলবেন, আরেকটিতে Twitch দেখবেন, শেষেরটিতে emailing চালাবেন, মজাই কিন্তু!

আরো কিছু অতিরিক্ত জিনিস আছে যা গেমিং উপযোগী করে তৈরি করা হয়েছে, যেমন persistent crosshair, FPS counter, timer এবং অন্যান্য।

পারফর্মেন্স

গেমিং মনিটর হিসেবে Asus ROG Strix XG49VQ-এর পারফর্মেন্স দারুণ। একদম নিখুঁত বলা চলে না, তবে অন্যান্য 49-inch মনিটর থেকে যথেষ্ট ভালো।

গেমিং-এর জন্য 3,840 by 1,080 native resolution মন্দ না। ডিটেইল দেখা যায়, আবার GPU-এর উপর আলাদা চাপ পড়ে না। উচ্চ-মধ্য ধরণের graphics card,যেমন Nvidia GeForce RTX 2060 বা GTX 1070 দিয়েই বেশ কাজ চলবে। চাইলে RTX 2080 বসিয়ে 144Hz refresh rate একদম উসুল করে দিতে পারেন।

কালার, কম্বিনেশন, আকার, curvature—সব মিলিয়ে দারুণ লাগবে মনিটরটি ব্যবহার করতে। তবে field-of-view-এর দিক থেকে চিন্তা করলে এত বিশাল aspect ratio খানিক সমস্যাকর হতে পারে।

বর্তমানের বেশিরভাগ গেম পুরো স্ক্রিনজুড়ে চলতে তেমন সমস্যা দেয় না। মেন্যু, টুল ইত্যাদি বসায় সুন্দরভাবে। তবে aspect ratio বেশি হলে যা হয়, field of view না বাড়িয়ে image stretch করা হয়। দেখতে বিতিকিচ্ছিরি লাগতে পারে মাঝেমাঝে। কিছু গেমের নিজস্ব অপশন আছে view widen ক্রাওর। তবে অনলাইন গেমে এ সুবিধা নেই।

গেমিং-এর জন্য যত বড় ছবি, তত কম পরিষ্কার। Asus ROG Strix XG49VQ-এর আকার বড়, কিন্তু native resolution কম। এতে pixel density মোটামুটি থাকে। Asus কিছু image processing বাস্তবায়ন করেছে, তবে এতে হিতে বিপরীত হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি।

সোজা কথা, ডেস্কটপে image quality বাজে আসবে। Font-গুলো দেখতে ভালো লাগবে না, কোনো কিছু স্পষ্ট এবং পরিষ্কার দেখাবে না। কেবল 1,080 vertical pixels দিয়ে সব কিছু কেমন রুদ্ধ-রুদ্ধ মনে হয়।

এত বড় প্রস্থ নিয়ে এ মনিটরে তিনটি ব্রাউজারে একসাথে চালালে কোনোটিই full-width-এ চালাতে পারবেন না। Productivity-এর দিক থেকে চিন্তা করলে Philips Brilliance 499P9H তার 5,120 by 1,440 resolutionনিয়ে ভালোই কাজ দেয়। Asus-এর 32:9 aspect ratio কিন্তু ভিডিও দেখার মতো উপযোগী নয়। কেননা, স্ক্রিনের বেশিরভাগ অংশই অব্যবহৃত পড়ে থাকে।

শেষ কথা

মনিটরটি একটি বিশেষ গোষ্ঠী, তথা গেইমার সমাজের জন্য দারুণ হতে পারে। তবে productivity-এর দিক থেকে অতো উচ্চমানের না। Image quality এবং pixel density উভয়টিই খুব একটা ভালো নয়। এর বদলে Philips Brilliance 499P9H আরো ভালো কাজ দেয়।

তবে Asus ROG Strix XG49VQ-এর সঠিক স্থান গেমিং, এবং এক্ষেত্রে যথেষ্ট ভালো অবস্থান তার। অসাধারণ কাজ করবে এটি। Graphics card-এর জন্যেও উপকারী।

যুক্তরাষ্ট্রে ৯০০ মার্কিন ডলার কাছাকাছি দাম হিসেবে মনিটরটি খারাপ না। খুব সস্তাও না, তবে স্ক্রিন তো অনেক বড়। তবে যুক্তরাজ্যে ১০০০ পাউন্ড হিসেবে গেইমারদের জন্যেও একটু অনাগ্রহ সৃষ্টি করতে পারে।

পোস্টটি ভালো লাগলে Like দিন, ফোনটি সম্পর্কে কোন কিছু জানার থাকলে অবশই কমেন্ট করবেন এবং প্রতিদিন প্রযুক্তির সব letest নিউজের Update পেতে (প্রযুক্তির আলো.কম) এর সাথে থাকুন । 

আরও পড়ুনঃ Samsung বাজারে নিয়ে এসেছে Galaxy View 2 Tab